
সংক্ষিপ্ত বিবরন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ইচ্ছাপূরণ' গল্পটি বাবা ও ছেলের এক অদ্ভুত এবং চমৎকার অদলবদলের কাহিনী। সুবলচন্দ্র ছিলেন বয়সে বড় কিন্তু শরীরের দিক থেকে কিছুটা দুর্বল, আর তার ছেলে সুশীল ছিল ভীষণ চঞ্চল ও দূরন্ত। সুশীল সবসময় চাইত বাবার মতো বড় ও স্বাধীন হতে যাতে কেউ তাকে শাসন করতে না পারে, আর সুবলচন্দ্র আফসোস করতেন যদি তিনি আবার শৈশব ফিরে পেতেন তবে মন দিয়ে পড়াশোনা করতেন। একদিন 'ইচ্ছাঠাকরুন' তাদের এই মনের বাসনা পূরণ করে দেন। রাতারাতি বাবা হয়ে যান ছোট শিশু আর ছেলে হয়ে যান বৃদ্ধ। কিন্তু এই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কি তাদের জীবনে আসলেও সুখ এনে দিয়েছিল? শৈশব ফিরে পেয়েও সুবলচন্দ্র কি পারলেন পড়াশোনায় মন দিতে, নাকি বৃদ্ধ বয়সের অভ্যাসগুলো তাকে বারবার বিপাকে ফেলল? অন্যদিকে, হঠাৎ বড় হয়ে যাওয়া সুশীলের চঞ্চল মন কি বয়সের ভার সইতে পারল? নিজেদের অসময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতার বিড়ম্বনা আর হাস্যকৌতুকময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গল্পটি এক চিরন্তন সত্যের দিকে এগিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত তারা কি আবার নিজেদের পুরনো জীবনে ফিরে যেতে চাইবে? এই কৌতূহলী প্রশ্নের উত্তর মিলবে কালজয়ী এই ছোটগল্পে।




















